মহাকাশ অনুসন্ধান- Search The Galaxy

মহাকাশ অনুসন্ধান হলোঃ
বিঙ্গানীরা প্রথমে অনুসন্ধান করার জন্য দূরবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্য নেন, তবে ব্যবহারিক গবেষণা রোবটিক স্পেস ও মনুষ্য মহাকাশযাত্রা উভয় দ্বারা পরিচালিত হয়।
মহাকাশের বিভিন্ন বস্তুর পর্যবেক্ষণকে জ্যোতির্বিজ্ঞান বলা হয়, যা বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য লিপিবদ্ধ ইতিহাসের পূর্ব থেকেই বিদ্যমান। মধ্য বিংশ শতাব্দীতে বড় ও তুলনামূলকভাবে কার্যকরী রকেটের আবিষ্কার বাস্তব মহাকাশ অনুসন্ধানকে সত্যতে পরিনত করতে সম্ভব করে দিয়েছিল। মহাকাশ অনুসন্ধানের সাধারণ যুক্তিগুলোর মধ্যে রয়েছে উন্নতর বৈজ্ঞানিক, জাতীয় মর্যাদা, বিভিন্ন দেশের সংঘবদ্ধতা, মানব জাতির ভবিষৎ নিশ্চিত করা।
মহাকাশ অনুসন্ধানকে প্রায়ই ভূ-রাজনৈতিক রেষারেষি করে (ইউরি গ্যাগারিন), প্রথম মহাকাশে পদচরণ হয়(আলেক্সি লেওনভ দ্বারা), প্রথমবার কোন নভঃস্থিত গঠনের উপর স্বয়ংক্রিয়ভাবে অবতরণ হয় ১৯৬৬ সালে এবং প্রথম স্পেস স্টেশন( সাল্যুত ১) ১৯৭১ সালে মহাকাশে পাঠানো হয়।
প্রথম ২০ বছর গবেষণার পরে মনোযোগ এককালীন শূন্যযাত্রা থেকে স্পেস শাটল প্রোগ্রামের মতো নবায়নযোগ্য হার্ডওয়্যারের দিকে নেওয়া হয় এবং প্রতিযোগিতা থেকে সহযোগিতায় পরিণত হয় যেমন আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের​​​​​​​ক্ষেত্রে হয়েছে।
আইএসএস ( আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন) এবং ২০১১ সালের মার্চে এসটিএস-১৩৩বাস্তবে পরিণত করার মাধ্যমে নামক বুশ প্রশাসনের ২০২০ পর্যন্ত, যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ অনুসন্ধানের পরিকল্পনা প্রক্রিয়া প্রবাহমান থাকে। কন্সটেলেসন চাঁদে ফিরে যাওয়ার একটি প্রগ্রামকে ২০০৯ সালে বিশেষজ্ঞ পর্যালোচনা প্যানেল দ্বারা অপর্যাপ্তরূপে অর্থ প্রদানকৃত এবং অবাস্তব বলে বর্ণনা করা হয়েছে। নিম্ন পৃথিবী অক্ষের (low earth orbit/LEO)বাইরে কর্মীবৃন্দের মিশনের ক্ষমতা উন্নয়নের বিষয়ে মনোযোগের জন্য ২০১০ সালে ওবামা প্রশাসন চন্সটেলেসনের সংশোধন প্রস্তাব করে ২০২০ সালের পরে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন অপেরাতিওনের বিস্তার কল্পনা, মানব কর্মীদের জন্য উৎক্ষেপনের যানবাহন উন্নয়ন নাসা থেকে বেসরকারি খাতে হস্তান্তর এবং LEO-এর বাইরে মিশন সক্ষমে প্রযুক্তি উন্নয়ন করা যেমন পৃথিবী-চাঁদ এল১, পৃথিবী-সূর্য এল১, পৃথিবীর নিকটস্ত গ্রহাণুসমূহ এবং ফোবোসবা মঙ্গলগ্রহের অক্ষে।
২০০০’সে গণপ্রজাতন্ত্রী চীন সরকার একটি সফল মনুষ্যবাহী মহাকাশ কর্মসূচি চালু করে যখন ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জাপান এবং ভারতও মহাকাশ মিশনের পরিকল্পনা করেছে। চীন, জাপান, এবং ভারত ২১ শতকে চাঁদে মনুষ্যবাহী মিশনের পক্ষে পদক্ষেপ গ্রহণ করে যখন ইউরোপীয় ইউনিয়ন ২০/২১ শতকে চাঁদ ও মঙ্গলগ্রহে মনুষ্যবাহী মিশনের ব্যাপারে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
‘৯০ দশকে থেকে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান প্রথমে মহাকাশ পর্যটনও পরে চাঁদের পাবলিক মহাকাশ অনুসন্ধান প্রচার শুরু করে।

Roman Ahammed

আমি ৩ বার নীতিমালা ভঙ্গ করেছি

One thought on “মহাকাশ অনুসন্ধান- Search The Galaxy

Leave a Reply