ট্রমা (তৃতীয় অংশ)

           ট্রমা(তৃতীয় অংশ)

ট্রমার উপসর্গসমূহ(Symtoms of trauma:

  • ট্রমার উপসর্গ সমূহ ব্যক্তি ভেদে ভিন্ন হতে পারে এবং এটা নির্ভর করে ঘটনার তীব্রতার উপর।এই উপসর্গ ১-২দিনে বা দীর্ঘদিন ও স্থায়ী হতে পারে।যদি চিকিৎসা করা না হয় এটি জটিল আকার ধারণ করতে পারে।ব্যক্তি ট্রমাতে হলে তার মধ্য সাথে সাথে লক্ষণ প্রকাশ না ও পেতে পারে।সাধারণত কিছুদিন যাওয়ার পর ব্যক্তি উপসর্গের কথা উল্লেখ করে।মানসিক ট্রমার কতগুলো সাধারণ উপসর্গ নিম্নে আলোচনা করা হল-
  • পুনঅভিজ্ঞতাঃব্যক্তি বারবার ট্রমা ঘটনাটি শারীরিকভাবে ও মানসিকভাবে মনে করতে থাকে।
  • নিদ্রাহীনতাঃব্যক্তি নিদ্রাহীনতায় ভোগে।ঘুমের মধ্যে দুঃস্বপ্ন দেখে এবং ঘটনাটি চোখের সামনে ভাসে।
  • উদ্বিগ্নতাঃউদ্বিগ্নতায় ভোগে।কখনো কখনো এটা বৈকল্য(PSTD)তে রূপ নিতে পারে।
  • মানসিক চাপঃব্যক্তি মানসিক চাপে ভোগে।সেই চাপের সাথে ব্যক্তি নিজেকে খাপ খাইয়ে নিতে পারে না।
  • রাগঃব্যক্তি রাগ অনুভব করে এবং রাগের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে ক্ষতিকর আচরণ করে।
  • বিষন্নতাঃব্যক্তি প্রায় বিষন্নতায় ভোগে এমনকি আত্মহত্যার প্রবণতাও তার মধ্যে দেখা যায়।
  • আত্ম-মর্যাদার ঘাটতিঃট্রমা অভিজ্ঞতার পর আত্ম বিশ্বাস,দৃঢ়তা ও আত্ম মর্যাদার অভাব বোধ করে।
  • মাদক নির্ভরতাঃমাদকের উপর নির্ভরশীলতা বৃদ্ধি পায়।ক্ষতিকর আচরণ প্রবণ,বন্ধুবান্ধবও পরিবার থেকে নিজেকে আলাদা রাখে।

আবেগীয় বিচ্ছিন্নতাঃঅনেক সময় ব্যক্তির আবেগ নিয়ন্ত্রনের ক্ষমতা থাকে না।ফলে অন্যদের থেকে নিজেকে আলাদা ভাবে।নিজের মানসিক বিষয় সম্পর্কে অন্যের সাথে আলাপ করতে চায় না।    ব্যক্তিকে অন্যদের থেকে শান্ত মনে হলেও একটু আলাদা মনে হয়।

মানসিক ট্রমায় মাত্রাগত ভিন্নতা রয়েছে।জিছু উপসর্গে তীব্রতা কম আবার কিছু উপসর্গে তীব্রতা বেশি।উপসর্গ যত দীর্ঘস্থায়ী হবে তত এর প্রভাব ক্ষতিকর হবে।অনেক ব্যক্তি নিজের মধ্যে এর প্রভাব লক্ষ্য করতে পারেননা।         যেগুলো পরবর্তীতে সমাধানযোগ্য নয়।নিম্নে উপসর্গের বৈশিষ্ট্যগুলো সারাজীবন অসমাধানযোগ্য হয়ে থাকতে পারে-

শারীরিকঃ

  • খাওয়ার সমস্যা
  • ঘুমের সমস্যা
  • কম শক্তি অনুভূত হওয়া
  • ক্লান্তি,মাথাব্যথা,শ্রান্তি ও ব্যাখ্যা করা যায় না এমন ব্যথা, পেট ব্যথা
  • হীনমন্যতাবোধ
  • রক্তচাপ বেড়ে যাওয়া,রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস ইত্যাদি।

জ্ঞানীয়ঃ

  • স্মৃতি হারিয়ে যাওয়া(ট্রমা সম্পর্কিত ঘটনা সম্পর্কে)
  •  দ্বিধান্বিত হওয়া,দুঃস্বপ্ন ইত্যাদি।আবেগীয়ঃ
  • বিষন্নতা,একাধারে কান্না করা
  • আশাহীনতা,উদ্বিগ্নতা,ভয়,বাধ্যবাধকতামূলক আচরণ
  • খিটখিটে মেজাজ,রাগ,অস্থিরতা,আবেগীয় বিচ্ছিন্নতা

স্বাভাবিক ও পরিবার থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়া ইত্যাদি।

সামাজিকঃ

  • মাজ থেকে আলাদা হওয়া
  • বৈবাহিক জীবনে সমস্যা
  • চাকুরী ও শিক্ষায় কর্ম সম্পাদন হ্রাস

সিদ্ধান্ত গ্রহণে অসুবিধা ইত্যাদি।

আচরণগতঃ

মাদকাসক্ত, ঘুমের সমস্যা,অনিরাপদ আচরণ ইত্যাদি।

এছাড়াও অযৌক্তিক চিন্তা , অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি,আত্মহত্যা প্রবণতা ইত্যাদিও লক্ষ্য করা যায়।   __(সূূূূত্রঃকাউন্সেলিং সাইকোলজি)

nispriho

আস্সালামুয়ালাইকুম। # Chittagong. #স্টুডেন্ট#ভালো লাগলেও জানান না লাগলেও কমেন্টে জানান#মানুষ মাত্রই ভুল#ভুল হলে ক্ষমাপ্রার্থী 👧

২ thoughts on “ট্রমা (তৃতীয় অংশ)

Leave a Reply