বাবা

বাবা

জীবনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ছেলেদের থাকতে হয় নিজ জালের মতো পৃথিবীতে।ছোট বেলায় হাটতে গিয়ে পড়ে গেলে মানুষের কথা শুনতে হয়।ছেলে হয়ে হাটতে গিয়ে পড়লে যেন পরিবার এর মাধা কাটা যায়।
এই ছেলে আস্তে আস্তে বড় হলে তাকে দিয়ে করানো হয় অনেক কাজ,সমাজ বলে ছেলে হয়েছো বসে থাকলে চলবে না।
সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে বড় হয়ে ওঠে তখন তাকে তার নিজের আর পরিবারের কথাটাও বেশী চিন্তা করতে হয়।সারাদিন ১০ টাকা পকেটে নিয়ে পাড় করা যেন তখন আর কোন কষ্টের মধ্যে পড়ে না।
পরিবারের বড় কর্তা অপেক্ষায় থাকে কখন সে বড় হবে আর নিজের ভারটা নিবে।
তখন ঐ ছেলেটা তার পরিবারের দ্বায়িত্ব নিয়ে নেয়।সাথে আরও দ্বায়িত্ব নেয় তার আরেক জীবন সঙ্গী।
আস্তে আস্তে সে নিজের ভারে নিচু হতে থাকে। আর অপেক্ষা করে কে তার ভার নিবে?কবে সে বড় হবে।
অফিসের বা ব্যাবসার ক্লান্তি আর লসের চিন্তা নিয়ে বাসায় ফেরা ছেলেটাকে দেখে চেনা যায় না সে আগে পায়ের উপর পা রেখে টিভি দেখেই সময় পার করতো।
সময় বারার সাথে সাথে নিজের প্রয়োজনের চেয় পরিবারের প্রয়োজনটাই বেশী প্রাধান্য দিতে শিক্ষে যায়।

আর এটাই একজন পুরুষের গল্প।আর এই একজনের মতো হাজারো নিশ্চুপ পুরুষ রয়েছে এই সমাজে।।
হয়তো আপনার বাবার কথাই বলছি।

হ্যাঁ আপনার বাবা, আমার বাবা,সকলেই নিশ্চুপভাবে ক্ষুদ্র থেকে অনেক কিছু করে যায়।

সম্মান থাকুক সেসব ছেলেদের প্রতি,যারা এক সময় বাবা হবেন।তাই নিজের বাবার কথাটাও মনে রাখবেন।

Vai

I am a good student.

Leave a Reply