বিন্দুর ছেলে

বিন্দুর ছেলে

আসসালামু আলাইকুম, আমি বিলকিস রহমান আজকে আপনাদেরকে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত উপন্যাস ‘বিন্দুর ছেলে’ সম্পর্কে জানাতে চাই।এটি অত্যন্ত সুন্দর একটি উপন্যাস।আশা করি আমার এই লেখাটি পড়ে আপনাদের মধ্যে এটি পড়ার ইচ্ছা সৃষ্টি হবে।ভুলত্রুটি ক্ষমা করবেন। কেমন লাগলো তা কমেন্টে জানাবেন। ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করবেন।

‘বিন্দুর ছেলে’ উপন্যাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র গুলো হলো যাদব(বিন্দুর ভাসুর), মাধব(বিন্দুর স্বামী),অন্নপূর্ণা (বিন্দুর জা),অমূল্য (অন্নপূর্ণার ছেলে ,তাকে বিন্দুর ছেলে ও বলা যায়) এবং বিন্দু। বিন্দু জমিদারের আদরের কন্যা।সে অত্যন্ত রূপবতী। তার বিয়ে হয় যাদবের জ্ঞাতি ভাই মাধবের সাথে।তারা আপন ভাই না হলেও তাদের সম্পর্ক আপন ভাইয়ের চেয়েও উর্ধ্বে ছিল।তাদের পরিবার গরীব ছিল।কিন্তু যাদব কষ্ট করে মাধবকে ওকালতি পাশ করায়।বিয়ের সময় বিন্দু বাপের বাড়ি থেকে দশ হাজার টাকা নিয়ে এসেছিল।সেও ভালো ছিল।কিন্তু রাগ করত বেশি।যাদব বিন্দুকে বড় স্নেহ করত।অন্নপূর্ণা বিন্দুকে ছোট বউ বললেও যাদব সবসময় মা বলেই ডাকত।ঘটনাক্রমে অন্নপূর্ণা তার ছেলে অমুল্যকে বিন্দুর হাতে তুলে দেয়।যদিও অন্নপূর্ণা ও বিন্দুর মধ্যে প্রায়ই মনোমালিন্য হতো, তবুও তারা উভয়েই উভয়কে অনেক ভালোবাসত ও বটে।অমূল্য কে বিন্দুর কাছে তুলে দিয়ে অন্নপূর্ণার ও কখনও খারাপ লাগত না।বরং সে একরকম শান্তিতেই ছিল।বিন্দুও অমূল্যকে নিয়ে বেশ খুশি ছিল।সে অমূল্যর ব্যাপারে একটু বেশিই উদ্বিগ্ন থাকত।তাকে মানুষ করাই তার একমাত্র লক্ষ্য ছিল।এ নিয়ে প্রায় সময়ই অন্নপূর্ণা আর বিন্দুর মধ্যে মতপার্থক্য দেখা দিত।একসময় এটি চূড়ান্ত আকার ধারণ করে। বিন্দু ও অন্নপূর্ণা আলাদা হয়ে যায়।বিন্দুরা নিকটেই অন্য বাড়িতে চলে যায়।কিন্তু আলাদা হওয়ার পরই তাদের একে অন্যের কথা মনে পড়ে।বিন্দু একসময় অসুস্থ হয়ে যায় এবং কিছু মুখে তোলে না।অবশেষে অন্নপূর্ণা আসে এবং তারা আবার এক হয়ে যায়।

এভাবেই গৃহস্থের একটি ছবি ফুটিয়ে তুলেছেন লেখক তার এই উপন্যাসে। আশা করি আপনারা সবাই বিস্তারিত জানার জন্য বইটি পড়বেন।ধন্যবাদ।

Bilkis Rahman

Hello...this is bilkis and I am very much interested in writing.......

১০ thoughts on “বিন্দুর ছেলে

  • মার্চ ১১, ২০১৯ at ৯:১৮ অপরাহ্ণ
    Permalink

    ভালো হয়েছে তবে আরেকতূ বিস্তারিত লেখলে ভাল হত

  • মার্চ ১১, ২০১৯ at ১০:১০ অপরাহ্ণ
    Permalink

    ইচ্ছে করেই আর লিখি নি।সবাই বইটি পড়লেই বিস্তারিত জানতে পারবে।

  • মার্চ ১১, ২০১৯ at ১০:১৫ অপরাহ্ণ
    Permalink

    শরৎচন্দ্র হবে হয়ত বানানটি । আর বইটি পড়ার সত্যি ইচ্ছে করছে এখন। ধন্যবাদ

    • মার্চ ১১, ২০১৯ at ১০:৪০ অপরাহ্ণ
      Permalink

      জি ঠিকই বলেছেন। আসলে কী বোর্ড এ খন্ড ত পাই নি তাই।ধন্যবাদ।

  • মার্চ ১৭, ২০১৯ at ৭:৪৬ অপরাহ্ণ
    Permalink

    খুব ভাল । ধন্যবাদ।

  • মার্চ ১৭, ২০১৯ at ৭:৪৭ অপরাহ্ণ
    Permalink

    খুব ভাল একটা বিষয়। ধন্যবাদ।

  • মার্চ ১৮, ২০১৯ at ১১:৫৯ পূর্বাহ্ণ
    Permalink

    @Vai দ্বিতীয় কমেন্ট এর জন্যও ধন্যবাদ

Leave a Reply